ঢাকা,  মঙ্গলবার  ২১ মে ২০২৪

নিউজ জার্নাল ২৪ :: News Journal 24

চলতি সপ্তাহেই ফের করোনার বুস্টার ডোজ শুরু

নিউজ জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৫, ৩০ মে ২০২৩

চলতি সপ্তাহেই ফের করোনার বুস্টার ডোজ শুরু

ছবি সংগৃহীত

এক বছরেরও বেশি সময় পর দেশে ফের করোনা টিকার বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু হচ্ছে। আর এবার ব্যবহার করা হবে ফাইজারের নতুন ভিসিভি (ভ্যারিয়েন্ট কন্টেয়নিং ভ্যাকসিন) টিকা।

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফাইজার-ভিসিভি কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বুস্টার ডোজ হিসেবে ভিসিভি (ভ্যারিয়েন্ট কন্টেয়নিং ভ্যাকসিন) হাতে পাওয়া গেছে। কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। এই টিকা তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজ হিসেবে দেয়া হবে। চলতি সপ্তাহেই দেশের সিটি করপোরেশন, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভায় করোনার টিকা কেন্দ্র থেকে দেয়া শুরু হবে। এই সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে যাবে। আমরা টিকা ট্রায়ালের সম্পন্ন করেছি। ইমেডিয়েটলি দেয়া হবে।’

এই টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘এর (টিকা) ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অন্যান্য সংস্থা ইতিবাচক মতামত দিয়েছে। আমাদের দেশে টিকাদানের জাতীয় কারিগরি কমিটির অনুমোদন ও মতামত রয়েছে। এতে ওষুধ প্রশাসনেরও অনুমোদন রয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে টিকার ট্রায়ালের কাজও শেষ করেছি, যেখানে কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি।’

বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের তালিকায় কারা রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যারা আছেন তাদের তৃতীয় ডোজ হিসেবে এই টিকা দেয়া হবে। আর যারা টিকা নেননি এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ৬০ বছরের বেশি যারা আছেন তাদের এবং সম্মুখ সারির যোদ্ধাদেরও দেয়া হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে দেশে ৩৬ কোটিরও বেশি টিকা দেয়া হয়েছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘সফলভাবে দেশে করোনার টিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মোট জনগোষ্ঠীর ৮৮ দশমিক ৫১ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজ, ৮২ দশমিক ১৮ শতাংশ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ, ৩৯ দশমিক ৬২ শতাংশ মানুষকে তৃতীয় ডোজ আর ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ মানুষকে চতুর্থ ডোজ দেয়া হয়েছে।’

২০২০ সালের করোনা মহামারী শুরুর এক বছর পর ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সারাদেশে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া শুরু হয়। আর বাংলাদেশ কিছু টিকা কিনেছে, কিছু কোভ্যাক্স এবং বিভিন্ন দেশ থেকে বিনামূল্যে পেয়েছে। দেশে করোনা টিকার মজুদ না থাকায় গত বছরের মার্চ মাসে তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজ দেয়া স্থগিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন