টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোলায় মালচিং পেপার ব্যবহার করে ফসল চাষ বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস)-এর বাস্তবায়নে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছর থেকে স্পেসাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট (কৃষি)-এর আওতায় উদ্যোক্তা পর্যায়ে বিভিন্ন টেকসই উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোলা সদর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের কন্টাকটার বাড়ির দরজা বাজার সংলগ্ন এলাকায় উদ্যোক্তা পর্যায়ে ফসলখাতের আওতায় “মালচিং পেপার ব্যবহার করে ফসল চাষ” বিষয়ক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. শামীম আহমেদ এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কৃষিবিদ মো. কামরুল হাসান। প্রশিক্ষণ সঞ্চালনায় ছিলেন জিজেইউএস এর কৃষি কর্মকর্তা মো. মুরাদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় জিজেইউএস এর স্পেসাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট এর ফোকাল পারসন ডা. অরুণ কুমার সিনহাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণে মালচিং পেপারের উপকারিতা, মৌসুমভিত্তিক ব্যবহার পদ্ধতি, জমি ও মাটি প্রস্তুতির কৌশল, মালচিং প্রয়োগের সঠিক নিয়ম এবং জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিকভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষকরা জানান, মালচিং পেপার ব্যবহারে মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ, আগাছা দমন, উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি সম্ভব।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তারা জানান, এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবজি চাষে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা নিশ্চিত করা যাবে। তারা ভবিষ্যতে সবজি চাষে শতভাগ মালচিং পেপার ব্যবহারের বিষয়ে গভীর আগ্রহ ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত হবেন, যা স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।









