ঢাকা,  রোববার  ২৯ জানুয়ারি ২০২৩

নিউজ জার্নাল ২৪ :: News Journal 24

মার্কিন প্রযুক্তি খাতে ছাঁটাইয়ের হিড়িক, ৪০ শতাংশই ভারতীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৩০, ২৩ জানুয়ারি ২০২৩

মার্কিন প্রযুক্তি খাতে ছাঁটাইয়ের হিড়িক, ৪০ শতাংশই ভারতীয়

ছবি প্রতিকী

করোনা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতি। ফলে গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যামাজনের মতো বড় বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলো হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। এতে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই কাজ হারিয়েছে কয়েক হাজার ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। 

অন্যদিকে শর্ত মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাকরি জোগাড় করতে না পারলে বাতিল হবে তাদের ওয়ার্কিং ভিসা। এনিয়ে বিপাকে ভারতীয় কর্মীরা।

ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে আনন্দবাজার জানিয়েছে, গত নভেম্বর থেকে দু’লাখ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী আমেরিকায় কাজ হারিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই চাকরি করতেন গুগল, মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের মতো বড় প্রতিষ্ঠানে। 

সম্প্রতি যারা চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়েছে তাদের মধ্যে, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই ভারতীয় কর্মী। যাদের বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি করছে এইচ-১বি বা এল১ ভিসায়।

সাধারণত বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন সংস্থাগুলোকে অনুমোদন দেয় এইচ-১বি ভিসা। এই ভিসার মাধ্যমে মার্কিন সংস্থাগুলো চীন, ভারতের মতো দেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ১০ হাজার কর্মী নিয়োগ দেয়। এল-১এ, এল-১বি ভিসার মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে ম্যানেজার বা অন্য শীর্ষ পদের জন্য কর্মী নিয়োগ করে এসব সংস্থা। 

জানা গেছে, যেসকল ভারতীয়রা এইচ-১বি, এল-১এ ভিসায় যারা যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি করতে গিয়েছে, তাদের অনেকেই এখন বেকার। অন্যদিকে চাকরি হারানোর ৬০ দিনের মধ্যে নতুন চাকরি না পেলে বাতিল হবে ভিসা। ফলে উদ্বেগে কাটাচ্ছে বহু ভারতীয় পরিবার।

এ বিষয়ে সিলিকন ভ্যালির এক উদ্যোগপতি অজয় জৈন ভুতোরিয়া বলেন, হাজার হাজার ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, বিশেষত এইচ-১বি ভিসায় আসা কর্মী চাকরি হারাচ্ছেন। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। চাকরি হারানোর ৬০ দিনের মধ্যে নতুন কাজ না পেলে তারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

এতে কর্মীদের পরিবারও বিপাকে পড়ছে। তাদের সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে অভিবাসন দফতরের কাছে এইচ-১বি ভিসার শর্ত বদলানোরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

যদিও মার্কিন সরকার এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। ফলে অনেক ভারতীয়কেই দেশে ফিরে যেতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।